চট্টগ্রামের উন্নত অবকাঠামোর জন্য বন্দর উন্নয়ন অপরিহার্য : প্রধান উপদেষ্টা

বাসস
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৫, ১৪:২৪ আপডেট: : ১৪ মে ২০২৫, ১৪:৫২
বুধবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়গামী অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের যানজট পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্রিফিং করেন। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক

চট্টগ্রাম, ১৪ মে, ২০২৫ (বাসস) : প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চট্টগ্রামের উন্নত অবকাঠামোর জন্য বন্দর উন্নয়ন অপরিহার্য। চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন করা গেলে শহর ও জেলার সড়ক যোগাযোগও অনিবার্যভাবে উন্নত হবে।

আজ বুধবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়গামী অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের যানজট পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্রিফিংকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। এর উন্নয়ন ছাড়া বাংলাদেশ এগুতে পারবে না। চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়নের মাধ্যমে শহর ও জেলার সড়ক অবকাঠামোও উন্নত হবে।’

সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান প্রধান উপদেষ্টাকে ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

তিনি জানান, প্রতিদিন গড়ে ৩১,৯৫৫টি যানবাহন এই সড়ক ব্যবহার করে, যার মধ্যে ৭৬ শতাংশ দু-চাকার যান, যা যান চলাচলে ধীরগতি সৃষ্টি করে।

তিনি আরও জানান, সড়কের পাশে অবস্থিত নয়টি বাজার যানজটের অন্যতম কারণ। এসব বাজার সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধান প্রকৌশলী বলেন, ষোলশহর থেকে রেলওয়ের জমি ব্যবহার করে একটি পৃথক সড়ক নির্মাণ করলে এই সড়কের ওপর চাপ কমানো সম্ভব।

প্রধান প্রকৌশলী অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কে যানজট কমাতে এলিভেটেড হাইওয়ে নির্মাণের প্রস্তাবও দেন।

চট্টগ্রামের বিশিষ্টজনরা যানজট নিরসনে প্রতি ২০০-৪০০ মিটার পরপর একটি করে ওভারপাস নির্মাণের প্রস্তাব দেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
গৌরব ও আত্মত্যাগে ৪৭ বছরে বিএনপি 
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা
মঙ্গলবার চাঁদপুরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে
চাল আত্মসাতের মামলায় খাদ্য কর্মকর্তা কারাগারে
বিটিআরসি, চরফ্যাশন ও নন্দীগ্রামে দুদকের পৃথক অভিযান
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে একমত জামায়াত
সাতক্ষীরা সীমান্তে ১৪ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ
কর্মক্ষেত্রে মানবাধিকার রক্ষায় সব পক্ষকে এগিয়ে আসার আহ্বান
চবিতে হামলার ঘটনায় দোষীদের বিচার দাবি ঢাবি সাদা দলের
নির্বাচনই দেশ বাঁচানোর একমাত্র উপায় : মির্জা ফখরুল
১০