ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৫ (বাসস) : পুরোনো পদ্ধতির নির্বাচন ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতা এবং জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী।
তিনি বলেন, পুর্বের পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত না হয়ে ফ্যাসিবাদযুক্ত হবে। দেশ ভয়াবহ অবস্থায় উপনিত হবে। এজন্য দেশের ৭১ ভাগ মানুষ পিআর পদ্ধতির নির্বাচন চায়। এতে করে ১০০ ভাগ ভোটারের ভোটের মুল্যায়ন হবে। সংসদ হবে প্রাণবন্ত। সকল সমস্যার সমাধানের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে সংসদ। রাজপথে কেউ আর আন্দোলন সংগ্রাম, জ্বালাও পোড়াও করবে না।
আজ শুক্রবার বিকেলে মক্রবপুর আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা দক্ষিণের নাঙ্গলকোর্ট উপজেলা মক্রবপুর ইউনিয়ন শাখার প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের মক্রবপুর ইউনিয়ন শাখা সভাপতি মুহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নাঙ্গলকোর্ট উপজেলা সভাপতি মাওলানা বাকিবিল্লাহ, মাওলানা খোরশেদ আলম সিদ্দিকী, মাওলানা লোকমান আশরাফী, আব্দুল মমিন মজুমদার, মাওলানা ইসরাফিল মাহমুদ, মাওলানা আবু জাফর ছালেহ।
এসময় মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী আরো বলেন, পিআর ছাড়া নির্বাচন, বিচার ছাড়া নির্বাচন, সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সবই ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন হবে। এ জন্য দৃশ্যমান সংস্কার প্রয়োজন। গণহত্যার বিচার হওয়া দরকার। এগুলো হলে একটি সুষ্ঠু সুন্দর ও অর্থবহ নির্বাচন হবে। অন্যথায় জিঘাংসার রাজনীতি ফিরে আসবে, প্রতিহিংসার রাজনীতি এবং দৈত্য দানবের রাজনীতিতে ফিরে আসবে।
চাঁদাবাজির রাজনীতি, পাথর দিয়ে মানুষ মারার রাজনীতি তো শুরুই হয়ে গেছে। এগুলোর কোন পরিবর্তন না হলে আর কত অভ্যুত্থান হলে এর সুরাহা হবে?
তিনি আরো দেশ, ইসলাম ও মানবতাকে বাচাতে এখন এদেশের জনগণের একটিই ভরসা, তাহলো সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন। যা পিআর পদ্ধতি হিসেবে পরিচিতি। পিআর পদ্ধতির নির্বাচনে ফ্যাসিবাদ হওয়ার কোন অপশন নেই। কাজেই সকল রাজনৈতিক দলের প্রাণের দাবি এ পদ্ধতিতে আগামীর নির্বাচন দিয়ে দেশকে সহনশীল অবস্থান নিয়ে আসুন।