ঢাকা, ৩০ আগস্ট, ২০২৫ (বাসস) : থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে দেশটির ক্ষমতার শূন্যতা সীমান্ত নিরাপত্তার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ শনিবার থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
সাংবিধানিক আদালত কর্তৃক প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করার পর, দেশটি ক্ষমতার শূন্যতা পূরণের জন্য লড়াই করছে।
ব্যাংকক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
‘নৈতিক আচরণবিধি মেনে চলেননি’ উল্লেখ করে শুক্রবার আদালত প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে বরখাস্ত করে। কম্বোডিয়ার সাথে সীমান্ত বিরোধ মোকাবেলায় তাকে ব্যর্থ হিসেবে দায়ী করে আদালত এ পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়।
এই রায়ের ফলে থাইল্যান্ডে একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী, ফুমথাম ওয়েচায়াচাই এবং একটি তত্ত্বাবধায়ক মন্ত্রিসভা রয়েছে, যা আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।
শনিবার সকালে ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রিসভা একটি বিশেষ সভা করে এই ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।
উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাথাপন নাকপানিচ বলেছেন, কম্বোডিয়ার সীমান্তে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষমতায় ‘প্রভাব ফেলবে না’।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা কোন সমস্যা নয়। সেনাপ্রধান ইতোমধ্যেই নির্দিষ্ট পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।’